২ সন্তান রেখে ভাগিনার হাত ধরে উধাও সুন্দরী মামী

পরকীয়ার টানে ভাগিনার (স্বামীর বোনের ছেলে) সাথে পালিয়ে গেছে মামী রাহেলা আক্তার। চট্টগ্রামের মিরসরাইয় থেকে গত ১৮ ফেব্রুয়ারি রাত আনুমানিক ৩টার দিকে দুই শিশুকে ঘুমে রেখেই পালিয়ে যান তিনি। এরপর আত্মীয়-স্বজন ও বিভিন্ন জায়গায় খোঁজ করে না পেয়ে এই বিষয়ে জোরারগঞ্জ থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। উপজেলার হিঙ্গুলী ইউনিয়নের জামালপুর গ্রামের আক্তারুজ্জামান ভূঁইয়া বাড়িতে এই ঘটনা ঘটে।

ভাগিনা মোঃ ইব্রাহিম পেশায় চালক। সে বারইয়ারহাট প্রাইভেটকার চালাত। তার বাড়ি বারইয়ারহাট পৌরসভার মেহেদী নগর গ্রামে।

জানা গেছে, জামালপুর এলাকার দুবাই প্রবাসী মতিউর রহমানের সাথে ৫ বছর পূর্বে উপজেলার মিরসরাই সদর ইউনিয়নের মোটবাড়িয়া গ্রামের হাবিব উল্লাহ ভূঁইয়া বাড়ির মাহফুজুর রহমানের মেয়ে রাহেলার সাথে বিয়ে হয়। গত কয়েক মাস ধরে মতিউর রহমানের বোনের ছেলে ইব্রাহিমের সাথে রাহেলার পরকিয়া প্রেম চলছিলো। সেই প্রেমের টানে গত ১৮ ফেব্রুয়ারি তারা পালিয়ে যায়। এসময় তার ৪ বছরের ছেলে নাহিদ ও ১৮ মাস বয়সের মেয়ে নাহিমা ঘুমে ছিলেন।

এই বিষয়ে রাহেলার স্বামী মতিউর রহমান প্রবাস থেকে দেশে ফিরে রাহেলা, তার বাবা মাহফুজুর রহমান ও মা সেতারা বেগমকে আসামী করে জোরারগঞ্জ থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন।

আরো দেখুন : গাড়িচালকের স্ত্রীর সাথে পরকীয়া, বীভৎস ঘটনা ঘটালেন চিকিৎসক
০৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ১২:৫৩

ওই চিকিৎসকের স্ত্রী বাড়িতেই একটি বুটিক চালাতেন। তবে বীরেন্দ্রর মৃত্যুর পর থেকে বীরেন্দ্রর স্ত্রী পলাতক। ‘গাড়িচালকের স্ত্রীর সঙ্গে চিকিৎসকের বিবাহ-বহির্ভূত সম্পর্ক ছিল, আর তাই তিনি পালিয়ে গিয়েছেন’, বলে পিটিআই-কে জানিয়েছেন পুলিশ সুপারিনটেনডেন্ট অরবিন্দ সাক্সেনা।

ভারতের মধ্যপ্রদেশের হোসাঙ্গাবাদ থেকে একজন নামী অর্থোপেডিক চিকিৎসককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। অভিযোগ, তিনি নিজের ৩০ বছর বয়সী গাড়িচালককে খুন করে তার লাশ টুকরো টুকরো করে কেটে সেগুলো অ্যাসিডে ডুবিয়ে বাড়িতে রেখেছিলেন যাতে সব তথ্য প্রমাণ লোপাট করা যায়। মঙ্গলবার এমনটাই জানিয়েছে স্থানীয় পুলিশ।

৫৬ বছর বয়সী চিকিৎসক সুনীল মন্ত্রীকে নিজের গাড়িচালক বীরেন্দ্র পচৌরিকে সোমবার খুন করেন। বীরেন্দ্র সন্দেহ করতেন, তার স্ত্রীর সঙ্গে ওই চিকিৎসকের সম্পর্ক ছিল। পুলিশ জানিয়েছে, ওই চিকিৎসককে গ্রেফতার করা হয়েছে।

জানা গেছে, ওই চিকিৎসকের স্ত্রী বাড়িতেই একটি বুটিক চালাতেন। তবে বীরেন্দ্রর মৃত্যুর পর থেকে বীরেন্দ্রর স্ত্রী পলাতক। ‘গাড়িচালকের স্ত্রীর সঙ্গে চিকিৎসকের বিবাহ-বহির্ভূত সম্পর্ক ছিল, আর তাই তিনি পালিয়ে গিয়েছেন’, বলে পিটিআই-কে জানিয়েছেন পুলিশ সুপারিনটেনডেন্ট অরবিন্দ সাক্সেনা।

অরবিন্দ আরো বলেছেন ওই চিকিৎসক প্রথমে বীরেন্দ্রকে মাসে ১৬ হাজার টাকা প্রতি মাসে মাইনে তার বিনিময় গাড়ি চালক হিসেবে রেখেছিলেন। কিন্তু চিকিৎসকের অভিযোগ, বীরেন্দ্র তাকে ক্রমাগত হুমকি দিচ্ছিল স্ত্রীর থেকে দূরে থাকার জন্য।

মঙ্গলবার পুলিশ সুপারিনটেনডেন্ট বলেন, ‘‘আমরা ওই চিকিৎসকের বাড়িতে গোপন কোনো কাজ চলছে খবর পেয়ে পৌঁছই।” পুলিশ দেখে, চিকিৎসক অত্যন্ত অস্থির হয়ে রয়েছেন এবং মেঝেয় রক্তের দাগ। বাড়িতে পুলিশ দেখে চিকিৎসক ভেঙে পড়েন এবং নিজের অপরাধ স্বীকার করে নেন।

ডক্টর মন্ত্রী ইত্রাসির সরকারি সিভিল হাসপাতালে কাজ করতেন। জেরায় তিনি স্বীকার করেছেন যে তিনি দীর্ঘ দিন ধরেই নিজের গাড়িচালককে খুন করার পরিকল্পনা করছিলেন তিনি। সে জন্য বাড়িতে এক গ্রাম ভর্তি অ্যাসিড এবং কাটারি মজুত করে রেখেছিলেন।

সোমবার যখন বীরেন্দ্র পাচৌরি নিজের দাঁতে ব্যথা হচ্ছে বলে ডাক্তারের কাছে আসে চিকিৎসক তাকে বসিয়ে রেখে সুযোগ বুঝে সার্জিকাল ছুরি দিয়ে তার গলা কেটে দেন। তখন রাত ন’টা। এরপরে তিনি দ্রুত হাতে তার গলার আরো বেশ কিছু জায়গা কেটে দেন বলে পুলিশ জানিয়েছে।

পুলিশ অফিসার বলেন, ‘‘ওই ড্রাইভারকে খুন করার পরে চিকিৎসক তার লাশটা একতলার শৌচাগারে নিয়ে গিয়ে টুকরো টুকরো করে কাটেন। এই পদ্ধতি চলে প্রায় রাত একটা পর্যন্ত। এর পরে তিনি ক্লান্ত হয়ে স্থির করেন বাকি অংশটা পরের দিন ব্যবস্থা করবেন। পরের দিন সকালে তিনি বীরেন্দ্রর জামাকাপড় সরিয়ে ফেলেন। সেগুলো এখনো পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে পুলিশ।

দুপুরের দিকে তিনি লাশের টুকরোগুলোকে অ্যাসিডে ডুবিয়ে তথ্য প্রমাণ লোপাটের ব্যবস্থা করেন। কিন্তু তখনই পুলিশ তাকে হাতেনাতে ধরে ফেলে। পুলিশ জানিয়েছে, ওই ড্রাইভারের দেহের অনেকগুলো টুকরো পাওয়া গেছে। তদন্ত চলছে।

Updated: 02/23/2019 — 11:59 am