এস-৪০০ নিতে চায় সৌদি, কী করবে ট্রাম্প?

তুরস্ক ও ভারতের এস-৪০০ ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ক্রয় নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বৈরী সম্পর্কের

মধ্যেই মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো এ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থাটি পেতে মরিয়া হয়ে উঠেছে।

এর মধ্যে সৌদি আরব, মিসর, ইরাক এবং কাতার রয়েছে। তবে অর্থনৈতিক কারণে মিসরের সঙ্গে

মস্কোর আলোচনার বিষয়টি দেরি হচ্ছে।

তবে এ বিষয়টি নিয়ে রাশিয়া জানিয়েছে, এসব দেশের সঙ্গে এস-৪০০ নিয়ে আলোচনা চলছে। এ ক্ষেত্রে

যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র সৌদি আরব এস-৪০০ ক্রয় করলে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ভূমিকা কী

হবে তা সামনে চলে এসেছে।

ইতিমধ্যে সিরিয়া, বেলারুশ ও চীন এ অথ্যাধুনিক প্রযুক্তির বিমান বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা ব্যবহার

করছে।

২০১৪ সালে বিশ্বে আন্তর্জাতিক ক্রেতা হিসেবে চীন প্রথম রাশিয়ার সঙ্গে এস-৪০০ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থার

জন্য চুক্তি করে। এর জন্য চীন ৩ বিলিয়ন ডলার অর্থ খরচ করে। পরে রাশিয়া কয়েক বছর চীনা

সেনাবাহিনীর কর্মীদের ক্ষেপণাস্ত্র পরিচালনার জন্য প্রশিক্ষণ দেয়।

এদিকে এস-৩০০ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা ন্যাটোভুক্ত তিনটি দেশসহ ১৭ দেশে মোতায়েন রয়েছে।

এস-৪০০ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থার পূর্ববর্তী সংস্করণটি বর্তমানে একই রাডার সিস্টেম ব্যবহার করে থাকে।

যার মধ্যে ১৭টি দেশ রয়েছে। ন্যাটো জোটের গ্রিস, স্লোভাকিয়া ও বুলগেরিয়াও রয়েছে।

এছাড়া ইউক্রেন, আলজেরিয়া, আরমানিয়া, আজারবাইজান, বুলগেরিয়া, মিসর, ভারত, ইরান,

কাজাখাস্তান, ভেনিজুয়েলা, ভিয়েতনাম, জর্জিয়া, মালদোভা, তুর্কমেনিস্তান এবং উজবেকিস্তান এসব

দেশগুলোর এস-৩০০ ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা রয়েছে।

সূত্র: ইয়েনি শাফাক

Updated: 06/13/2019 — 10:43 pm